তখন দূরে সাইরেন দিয়ে ট্রেন চলে যায়। আরও পরে ঝিমঝিম বাস। পূবে এবং পশ্চিমে। আমি জেগে থাকি অপলক। ঘুমহীন। আমার নিশ্বাস জমাট বাধে। পাশে মায়ের ঘ্রাণ। ঊষ্ণতা। বিক্ষিপ্ত ভাবনারা আমাকে ঘিরে রাখে। গুরুত্বহীন স্বপ্নহীন সময়। আরও রাত হয়। কোথাও কুকুর ডাকে, ঘরের সিলিংয়ে ঝি ঝি পোকা। আমার মাথা কিলবিল করে। জানিনা কখন ঘুমিয়ে পড়ি।
এসবই আজ পুরনো স্মৃতি। অহেতূক নস্টালজিয়া।
লাল-মোরগ-চকলেটওয়ালী চলে গেছে ঈদের মেলা শেষে। কৃষ্ণচূড়াহীন মাঠ। সেখানে ফাল্গুনের দমকা বাতাসে ধুলো উড়ে। সাইকেলের স্বপ্নে হেঁটে যায় আরেক কিশোর। আর আমি ইরাবতী কাওয়াউ আটলান্টিকে ভেসে যাই। এখানে ওখানে।
এইসব নিঃসংগতায় হাত বাড়ায় অচেনা স্বজন, বন্ধু। আমি আবার জেগে উঠি। বলি, তবে শোনো এবার না বলা কথা, লিখি সময়ের পাতা। টের পাই সব দুঃসময়ের শুষ্কতায় ‘সময় বলা পাতা’ পড়ে থাকে অযতনে। তিনশ’ পঁয়ষট্টি গুন তিন। মাঝে কিছু ভুল যাপন। তবুও ফিরে তাকাই।
লিখি, অথবা গল্পহীন সময়।
Filed under: Uncategorized | Leave a Comment »